Posts

Showing posts from February, 2018

অধ্যায়ঃ বিবিধ বিষয়

৫৪৮। আবদুল্লাহ ইবন আমর (রহঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি তাঁর অপর ভাইকে আল্লাহর উদ্দেশ্যে মহব্বত করে এবং বলে, আমি তোমাকে আল্লাহর (সন্তুষ্টি লাভের) উদ্দেশ্যে মহব্বত করি, তারা উভয়ে জান্নাতে দাখিল হবে। যার মহব্বত অধিক প্রবল হবে সে তার ভাইকে মহব্বত করার কারণে অধিক মর্যাদাবান হবে। হাদিসের মানঃ  যঈফ (Dai'f) ৫৫৩। কাপড় বিক্রেতা সালেহ (রহঃ) থেকে তার দাদীর সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আলী (রাঃ) কে দেখলাম যে, তিনি এক দিরহামের খেজুর কিনে তা তার চাদরে করে নিয়ে যাচ্ছেন। আমি তাকে বললাম অথবা এক ব্যক্তি তাকে বললো, হে আমীরুল মুমিনীন! আপনার বোঝাটি আমিই বহন করি। তিনি বলেন, না, পরিবারের পিতাই বোঝা বহনের অধিক উপযুক্ত (তারীখুল কামিল)। হাদিসের মানঃ  যঈফ (Dai'f) ৫৬২। আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, শেষ যমানায় দুর্ভিক্ষ হবে। যে ব্যক্তি সেই যুগ পাবে, সে যেন ক্ষুধার্ত প্রাণীদের প্রতি অবিচার না করে। হাদিসের মানঃ  যঈফ (Dai'f) ৫৬৭। আবু সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ পদে পদে বাধ...

অধ্যায়ঃ বদান্যতা, কৃপণতা ও চারিত্রিক দোষ-ত্রুটি

২২১। হারমালা ইবনে আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি রওনা হয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট গিয়ে উপস্থিত হলেন। তিনি তাঁর নিকট উপস্থিত থাকতেই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে চিনে ফেলেন। তিনি রওয়ানা হলে আমি মনে মনে বললাম, আল্লাহর শপথ আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট যাবো এবং আমার জ্ঞানের পরিধি বাড়াবো। আমি হেঁটে হেঁটে তার নিকট গিয়ে তার সামনে দাড়ালাম। আমি বললাম, আপনি আমাকে কি কাজের নির্দেশ দিবেন? তিনি বলেনঃ হে হারমালা! তুমি সৎকাজ করবে এবং পাপ কাজ থেকে বিরত থাকবে। অতঃপর আমি ফিরে এসে আমার বাহনের নিকট এলাম, আবার ফিরে গিয়ে তার নিকট আমার স্থানে দাঁড়ালাম। আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আপনি আমাকে কি কাজ করার নির্দেশ দিবেন? তিনি বলেনঃ “হে হারমালা! তুমি সৎকাজ করবে এবং পাপ কাজ বর্জন করবে। তুমি লক্ষ্য করো, তোমার কান কি শুনতে পছন্দ করে? তোমার সম্প্রদায় তোমার অনুপস্থিতিতে যা বললে তুমি আনন্দ পাও তা করো এবং তোমার অনুপস্থিতিতে তোমার সম্প্রদায় যা বললে তুমি অপছন্দ করো তা থেকে বিরত থাকো”। হারমালা (রাঃ) বলেন, আমি ফিরে এসে ভেবে দেখলাম, তা এমন দু’টি কথা, যাতে কিছুই বা...

অধ্যায়ঃ ভদ্র আচার ব্যাবহার

১৩৩। হাসান (রহঃ) বলেন, এক ইয়াতীম বালক ইবনে উমার (রাঃ)-এর আহার গ্রহণকালে নিয়মিত উপস্থিত হতো। এক দিন তিনি আহার নিয়ে ডাকলেন এবং ইয়াতীমকে খোঁজ করলেন, কিন্তু তাকে পাননি। তার আহার গ্রহণ শেষ হলে সে এসে উপস্থিত হলো। ইবনে উমার (রাঃ) খাদ্য নিয়ে ডাকলেন। তখন তাদের নিকট খাবার অবশিষ্ট ছিলো না। তার নিকট ছাতু ও মধু আনা হলো। তিনি বলেন, এটা গ্রহণ করো। আল্লাহর শপথ! তোমাকে ধোঁকা দেয়া হচ্ছে না। হাসান (রহঃ) এই হাদীস বর্ণনাকালে বলতেন, আল্লাহর শপথ! ইবনে উমার (রাঃ) আহার থাকতে তা লুকাননি। হাদিসের মানঃ  যঈফ (Dai'f) ১৩৬। আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মুসলমানদের ঘরসমূহের মধ্যে সেই ঘর সর্বোত্তম, যেখানে কোন ইয়াতীম আছে এবং তার সাথে সদ্ব্যবহার করা হয়। মুসলমানদের ঘরসমূহের মধ্যে সর্বনিকৃষ্ট সেই ঘর যেখানে কোন ইয়াতীম আছে এবং তার সাথে দুর্ব্যবহার করা হয়। আমি এবং ইয়াতীমের ভরণপোষণকারী বেহেশতে এই দুইটির মতো একত্রে থাকবো। এই বলে তিনি তার দুই আঙ্গুলের দিকে ইংগিত করেন (ইবনে মাজাহ)। হাদিসের মানঃ  সহিহ/যঈফ [মিশ্রিত] ১৩৮। হাসান বসরী (রহঃ) বলেন, আমি এমন ম...