অধ্যায়ঃ বিবিধ বিষয়
৫৪৮। আবদুল্লাহ ইবন আমর (রহঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি তাঁর অপর ভাইকে আল্লাহর উদ্দেশ্যে মহব্বত করে এবং বলে, আমি তোমাকে আল্লাহর (সন্তুষ্টি লাভের) উদ্দেশ্যে মহব্বত করি, তারা উভয়ে জান্নাতে দাখিল হবে। যার মহব্বত অধিক প্রবল হবে সে তার ভাইকে মহব্বত করার কারণে অধিক মর্যাদাবান হবে।
হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
৫৫৩। কাপড় বিক্রেতা সালেহ (রহঃ) থেকে তার দাদীর সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আলী (রাঃ) কে দেখলাম যে, তিনি এক দিরহামের খেজুর কিনে তা তার চাদরে করে নিয়ে যাচ্ছেন। আমি তাকে বললাম অথবা এক ব্যক্তি তাকে বললো, হে আমীরুল মুমিনীন! আপনার বোঝাটি আমিই বহন করি। তিনি বলেন, না, পরিবারের পিতাই বোঝা বহনের অধিক উপযুক্ত (তারীখুল কামিল)।
হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
৫৬২। আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, শেষ যমানায় দুর্ভিক্ষ হবে। যে ব্যক্তি সেই যুগ পাবে, সে যেন ক্ষুধার্ত প্রাণীদের প্রতি অবিচার না করে।
হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
৫৬৭। আবু সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ পদে পদে বাধাপ্রাপ্ত ব্যক্তিই সহনশীল ও ধৈর্যশীল হয় এবং অভিজ্ঞতা ছাড়া বিচক্ষণ ও প্রজ্ঞাবান হওয়া যায়। না (বুখারী, তিরমিযী, আহমাদ, ইবনে হিব্বান)[1]
[1] হাদীসটি এখানে আবু সাঈদ (রাঃ)-র বক্তব্য হিসাবে উদ্ধৃত হলেও তা রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর বাণী দেখুন তিরমিযী ২০৩৩ এবং মুসনাদে আহমাদ ১১০৭১ ও ১১৬৮৪ নং হাদীস (অনুবাদক)।
হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
৫৬৮। আলী (রাঃ) বলেন, আমার কতক ভাইকে একত্র করে তাদেরকে আমার এক বা দুই সা পরিমাণ আহার করানো—তোমাদের বাজারে গিয়ে আমার একটি গোলাম (খরিদ করে তাবারানী) দাসত্বমুক্ত করার চেয়ে আমার নিকট অধিক প্রিয়।
হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
৫৭৫। আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ ঘরে একটি বকরী একটি বরকতস্বরূপ, দুইটি বকরী দুইটি বরকতস্বরূপ এবং তিনটি বকরী অনেক বরকত।
হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
৫৮৪। আমর ইবনে ওয়াহব (রহঃ) বলেন, আমি মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে উসাইদ (রহঃ)-কে দেখেছি যে, তিনি ইহরাম অবস্থায় জন্তুযানে আরোহণ করলে, তার দুই কাঁধের উপর থেকে কাপড় তার দুই উরুর উপর রাখতেন। আমি বললাম, এটা কি? তিনি বলেন, আমি আবদুল্লাহ (রাঃ)-কে এরূপ করতে দেখেছি।
হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
৫৮৫। মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে আবদুল কারী (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) ও এক আনসার ব্যক্তি একত্রে বসা ছিলেন। আবদুর রহমান ইবনে আবদুল কারী (রহঃ) এসে তাদের নিকট বসলেন। উমার (রাঃ) বলেন, যে ব্যক্তি আমাদের কথা অন্যদের কাছে পৌছায় আমরা তাকে পছন্দ করি না। আবদুর রহমান (রহঃ) তাকে বলেন, হে আমীরুল মুমিনীন। আমি তাদের সাথে ওঠাবসা করি না। উমার (রাঃ) বলেন, হাঁ, তুমি এর সাথে ওর সাথে ওঠাবসা করো, কিন্তু আমাদের (গোপন) কথা কোথাও ফাঁস করো না। অতঃপর তিনি আনসারীকে বলেন, আচ্ছা! আমার পরে কে খলীফা হবে বলে লোকজন আলোচনা করে? আনসারী মুহাজিরদের বেশ কয়েকজনের নাম উল্লেখ করলেন, কিন্তু তাতে আলী (রাঃ)-এর নাম উল্লেখ করেননি? উমার (রাঃ) বলেন, তারা হাসানের পিতার (আলীর) কথা বলে না কেন?আল্লাহর শপথ তিনি তাদের শাসনভার প্রাপ্ত হলে তিনিই তাদের সত্য পথে সুপ্রতিষ্ঠিত রাখার ব্যাপারে সর্বাধিক যোগ্য।
হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
৫৯০। মাযীদা আল-আবদী (রহঃ) বলেন, আশাজ্জ (রাঃ) পদব্রজে এসে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাত ধরে তাতে চুমা দিলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বলেনঃ জেনে রাখো, তোমার মধ্যে এমন দু’টি স্বভাব রয়েছে যা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের খুবই মনঃপুত। আশাজ্জ (রাঃ) বলেন, ঐগুলি কি আমার প্রকৃতিগত না আমার চরিত্রগত? তিনি বলেনঃ না, ঐগুলি তোমাকে প্রকৃতিগতভাবেই দান করা হয়েছে। আশাজ্জ (রাঃ) বলেন, সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, যিনি আমাকে প্রকৃতিগতভাবেই এমন স্বভাব দান করেছেন, যা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের মনঃপুত। (বুখারীর তারীখুল কাবীর)
হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
Comments
Post a Comment