অধ্যায়ঃ জন্মোৎসব ও খতনা অনুষ্ঠান
১২৫৭। উম্মুল মুহাজির (রহঃ) বলেন, আমি রূম এলাকা (এশিয়া মাইনর) থেকে যুদ্ধবন্দিনীরূপে নীত হই। উসমান (রাঃ) আমাদের ইসলাম গ্রহণের দাওয়াত দেন। আমি এবং অপর একজন ব্যতীত আর কেউ ইসলাম গ্রহণ করেনি। উসমান (রাঃ) বলেন, এই দুই নারীকে নিয়ে যাও, তাদের (ভগাংকুর) নিচু করো এবং তাদের পবিত্র করো।
হাদিসের মানঃ যঈফ
১২৫৮। সালেম (রহঃ) বলেন, ইবনে উমার (রাঃ) আমার ও নাঈমের খতনা করালেন। তিনি আমাদের জন্য একটি মেষ যবেহ করেন। আমাদের স্মরণ আছে যে, আমরা আনন্দভরে শিশুদের বলতাম, আমাদের জন্য একটি মেষ যবেহ করা হয়েছে।
হাদিসের মানঃ যঈফ
১২৬০। উমার (রাঃ)-র মুক্তদাস সালেম (রহঃ) বলেন, আমরা উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-র সাথে সিরিয়ায় পৌঁছলে তার নিকট এক (খৃষ্টান) ভূস্বামী এসে বললো, হে আমীরুল মুমিনীন! আমি আপনার জন্য আহার্য তৈরি করেছি। আমি আশা করি যে, আপনার সম্ভ্রান্ত পারিষদবর্গসহ আপনি আমার এখানে আসবেন। তা আমার কাজে শক্তি যোগাবে এবং আমার শরাফত বৰ্দ্ধিত হবে। উমার (রাঃ) বলেন, তোমাদের গির্যাসমূহে (জীব-জন্তুর) চিত্রাবলী থাকা অবস্থায় আমরা তাতে প্রবেশ করতে পারি না।
হাদিসের মানঃ যঈফ
১২৬১। উম্মুল মুহাজির (রহঃ) বলেন, আমি রুম এলাকায় যুদ্ধবন্দী হই। উসমান (রাঃ) আমাদের ইসলাম গ্রহণের দাওয়াত দেন। আমাদের মধ্যে আমি এবং অপর একজন ব্যতীত কেউ ইসলাম গ্রহণ করেনি। উসমান (রাঃ) বলেন, এই দুই নারীর খতনা করাও এবং তাদের পবিত্র করো। আমি উসমান (রাঃ)-র খেদমত করতাম।
হাদিসের মানঃ যঈফ
১২৬৫। বিলাল ইবনে কাব আল-আককী (রহঃ) বলেন আমি, ইবরাহীম ইবনে আদহাম, আবদুল আযীয ইবনে কুদাইদ ও মূসা ইবনে ইয়াসার (রহঃ) ইয়াহইয়া ইবনে হাসান আল-বাকরী আল-ফালাসতিনীর সাথে তার গ্রামে গিয়ে সাক্ষাত করলাম। তিনি আমাদের জন্য খাবার আনলেন। মূসা রোযাদার হওয়ায় আহার গ্রহণ থেকে বিরত থাকেন। ইয়াহইয়া বলেন, চল্লিশ বছর যাবত এই মসজিদে কিনানা গোত্রীয় আবু কিরসাফা (রাঃ) ডাকনামের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর একজন সাহাবী আমাদের ইমামতি করেন। তিনি এক দিন রোযা রাখেন এবং এক দিন বিরতি দেন। আমার পিতার একটি পুত্রসন্তান জন্মগ্রহণ করলে তিনি তাকে দাওয়াত দেন। সেটি ছিল তার রোযা রাখার দিন। তিনি রোযা ভাংলেন। ইবরাহীম (রহঃ) উঠে দাঁড়িয়ে তাঁকে তার চাদরখানা উপটৌকন দেন এবং মূসাও রোযা ভাংগেন। ইমাম বুখারী (রহঃ) বলেন, আবু কিরসাফা (রাঃ)-র নাম জানদারা ইবনে খায়শানা।
হাদিসের মানঃ যঈফ
Comments
Post a Comment