অধ্যায়ঃ হাঁচি ও তার জবাবদান
৯২৮। ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন, তোমাদের কেউ হাঁচি দিয়ে শুধু ‘আলহামদু লিল্লাহ’ বললে একজন ফেরেশতা বলেন, ‘রব্বিল আলামীন’। আর সে ‘আলহামদু লিল্লাহি রব্বিল আলামীন’ বললে ফেরেশতা বলেন, ‘ইয়ারহামুকাল্লাহ’ (আল্লাহ তোমার প্রতি সদয় হোন)। (তাবারানী)
হাদিসের মানঃ যঈফ
৯৩০। আবদুর রহমান ইবনে যিয়াদ ইবনে আনউম আল-ইফরীকী (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, তারা মুআবিয়া (রাঃ)-এর আমলে নৌ-যুদ্ধে যোগদান করেন। পথিমধ্যে আমাদের জাহাজ আবু আইউব আনসারী (রাঃ)-র জাহাজের নিকটবর্তী হলে এবং আমাদের সকালের খাবার উপস্থিত হলে আমরা তার নিকট লোক পাঠালাম। তিনি এসে বলেন, তোমরা আমাকে দাওয়াত দিয়েছো। কিন্তু আমি রোযাদার। তবুও আমি তোমাদের দাওয়াত কবুল করেছি। কারণ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ এক মুসলমানের উপর তার অপর মুসলমান ভাইয়ের ছয়টি অনিবার্য দাবি রয়েছে। যদি কেউ তার একটিও লংঘন করে তবে সে তার ভাইয়ের প্রতি একটি অপরিহার্য কর্তব্য পালন করলো না।
(১) তার সাথে সাক্ষাত হলে তাকে সালাম দিবে। (২) সে তাকে দাওয়াত দিলে তা কবুল করবে। (৩) সে হাঁচি দিলে (ইয়ারহামুকাল্লাহ বলে) তার জবাব দিবে। (৪) সে রোগগ্ৰস্ত হলে তাকে দেখতে যাবে। (৫) সে মৃত্যুবরণ করলে তার জানাযায় অংশগ্রহণ করবে এবং (৬) সে পরামর্শ চাইলে তাকে উত্তম পরামর্শ দিবে।
রাবী বলেন, আমাদের সাথে (ঐ অভিযানে) একজন রসিক লোকও ছিলেন। তিনি আমাদের সাথে আহাররত এক ব্যক্তিকে বলেন, আল্লাহ তোমাকে অতিশয় উত্তম প্রতিদান দিন। তাকে বারবার এরূপ বললে সে ক্ষেপে যেতো। রসিক ব্যক্তি আবু আইউব (রাঃ)-কে বলেন, এই লোকটি সম্পর্কে আপনি কি বলেন, আমি তাকে ‘জাযাকাল্লাহু খায়রান ওয়া বাররান’ বললে সে ক্ষেপে যায় এবং আমাকে গালি দেয়। আবু আইউব (রাঃ) বলেন, আমরা বলতাম, কল্যাণ যার জন্য বাঞ্ছনীয় নয় অমঙ্গলই তার জন্য বাঞ্ছনীয়। অতএব তাকে এর উল্টা বলো। ঐ লোকটি তার নিকট এলে রসিক ব্যক্তি তাকে বলেন, জাযাকাল্লাহু শাররান ওয়া আররান (আল্লাহ তোমাকে অমঙ্গল ও কঠোর প্রতিদান দিন)। লোকটি হেসে দিলো এবং প্রসন্ন হলো আর বললো, তুমি বুঝি তোমার রসিকতা ত্যাগ করতে পারো না। তিনি বলেন, আল্লাহ আবু আইউব আনসারী (রাঃ)-কে উত্তম প্রতিদান দিন (তাহযীবুল কামাল)।
হাদিসের মানঃ যঈফ
৯৩৪। আলী (রাঃ) বলেন, যে ব্যক্তি কাউকে হাঁচি দিতে শোনে বলে, “আলহামদু লিল্লাহি রব্বিল আলামীন আল কুল্লি হালিন মাকানা” (সর্বাবস্থায় বিশ্বজাহানের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য প্রশংসা), কখনো তার দাঁতের ও কানের অসুখ হবে না। (আহমাদ, তাবারানী, ইবনে শায়বাহ)
হাদিসের মানঃ যঈফ
৯৪৪। মাকহুল আল-আযদী (রহঃ) বলেন, আমি ইবনে উমার (রাঃ) এর পাশে উপস্থিত ছিলাম। মসজিদের এক পাশে এক ব্যক্তি হাঁচি দিলে ইবনে উমার (রাঃ) বলেন, তুমি আল্লাহর প্রশংসা করে থাকলে আল্লাহ তোমার প্রতি সদয় হোন।
হাদিসের মানঃ যঈফ
৯৭৩। আবদুর রহমান ইবনে সাদ (রহঃ) বলেন, ইবনে উমার (রাঃ) এর পা ঝিঝি ধরে অবশ হলে এক ব্যক্তি তাকে বললো, আপনার প্রিয়মত ব্যক্তিকে স্মরণ করুন। তিনি বলেন, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। (ইবনুস সুন্নী)
হাদিসের মানঃ যঈফ
৯৭৮। ইবরাহীম ইবনে মারযূক আছ-ছাকাফী (রহঃ) বলেন, আমার পিতা আবদুল্লাহ ইবনুয যুবাইর (রাঃ)-র সমর্থক ছিলেন এবং পরে হাজ্জাজ তাকে তার নিকট থেকে ছিনিয়ে নেয়। তিনি বলেন, আবদুল্লাহ ইবনুয যুবাইর (রাঃ) আমাকে তার মা আসমা বিনতে আবু বাকর (রাঃ)-এর কাছে পাঠাতেন এবং আমি তাকে তাদের প্রতি হাজ্জাজের দুর্ব্যবহারের কথা অবগত করতাম। তিনি আমার জন্য দোয়া করতেন এবং আমার মাথায় হাত বুলাতেন। আমি ছিলাম তখন বালক বয়সী।
হাদিসের মানঃ যঈফ
৯৮১। ইবনে উমার (রাঃ) বলেন, আমরা একটি যুদ্ধে যোগদান করলাম। (যুদ্ধের ভয়াবহতায়) লোকজন পলায়ন করলো। আমরা বলাবলি করলাম, আমরা কেমন করে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে সাক্ষাত করবো, অথচ আমরা যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পলায়ন করেছি। তখন নাযিল হলো, “অবশ্য যুদ্ধকৌশল অবলম্বনের জন্য পশ্চাৎপদ হলে স্বতন্ত্র কথা” (সূরা আনফালঃ ১৬)। আমরা বলাবলি করলাম, আমরা মদীনায় ফিরে যাবো না। তাহলে লোকজন আমাদেরকে দেখবে না। আমরা আরও বললাম, যদি আমরা মদীনায় ফিরে যাই! নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের নামায পড়ে কেবল বের হয়েছেন। আমরা বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমরা তো পলাতকের দল। তিনি বলেনঃ তোমরা তো পাল্টা আক্রমণকারী দল। তাঁর একথায় আমরা তাঁর হাতে চুমা দিলাম। তিনি বলেনঃ আমি তোমাদের দলভুক্ত। (আবু দাউদ, তিরমিযী, ইবনে মাজাহ, আহমাদ)
হাদিসের মানঃ যঈফ
৯৮৩। ইবনে জুদআন (রহঃ) থেকে বর্ণিত। সাবিত (রহঃ) আনাস (রাঃ) কে বলেন, আপনি কি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে নিজ হাতে স্পর্শ করেছেন? তিনি বলেন, হাঁ। তখন তিনি তার হাতে চুমা দিলেন।
হাদিসের মানঃ যঈফ
৯৮৪। ওয়াজে ইবনে আমের (রাঃ) বলেন, আমরা (আবদুল কায়েস গোত্রের প্রতিনিধিদল মদীনায়) পৌছলে বলা হলো, ইনিই আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। আমরা তাঁর হস্তদ্বয় ও পদদ্বয় ধরে তাতে চুমা দিলাম। (আবু দাউদ)
হাদিসের মানঃ যঈফ
৯৮৫। সুহাইব (রহঃ) বলেন, আমি আলী (রাঃ) কে আব্বাস (রাঃ)-এর হাত ও উভয় পায়ে চুমা দিতে দেখেছি।
হাদিসের মানঃ যঈফ
হাদিসের মানঃ যঈফ
৯৭৩। আবদুর রহমান ইবনে সাদ (রহঃ) বলেন, ইবনে উমার (রাঃ) এর পা ঝিঝি ধরে অবশ হলে এক ব্যক্তি তাকে বললো, আপনার প্রিয়মত ব্যক্তিকে স্মরণ করুন। তিনি বলেন, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। (ইবনুস সুন্নী)
হাদিসের মানঃ যঈফ
৯৭৮। ইবরাহীম ইবনে মারযূক আছ-ছাকাফী (রহঃ) বলেন, আমার পিতা আবদুল্লাহ ইবনুয যুবাইর (রাঃ)-র সমর্থক ছিলেন এবং পরে হাজ্জাজ তাকে তার নিকট থেকে ছিনিয়ে নেয়। তিনি বলেন, আবদুল্লাহ ইবনুয যুবাইর (রাঃ) আমাকে তার মা আসমা বিনতে আবু বাকর (রাঃ)-এর কাছে পাঠাতেন এবং আমি তাকে তাদের প্রতি হাজ্জাজের দুর্ব্যবহারের কথা অবগত করতাম। তিনি আমার জন্য দোয়া করতেন এবং আমার মাথায় হাত বুলাতেন। আমি ছিলাম তখন বালক বয়সী।
হাদিসের মানঃ যঈফ
৯৮১। ইবনে উমার (রাঃ) বলেন, আমরা একটি যুদ্ধে যোগদান করলাম। (যুদ্ধের ভয়াবহতায়) লোকজন পলায়ন করলো। আমরা বলাবলি করলাম, আমরা কেমন করে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে সাক্ষাত করবো, অথচ আমরা যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পলায়ন করেছি। তখন নাযিল হলো, “অবশ্য যুদ্ধকৌশল অবলম্বনের জন্য পশ্চাৎপদ হলে স্বতন্ত্র কথা” (সূরা আনফালঃ ১৬)। আমরা বলাবলি করলাম, আমরা মদীনায় ফিরে যাবো না। তাহলে লোকজন আমাদেরকে দেখবে না। আমরা আরও বললাম, যদি আমরা মদীনায় ফিরে যাই! নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের নামায পড়ে কেবল বের হয়েছেন। আমরা বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমরা তো পলাতকের দল। তিনি বলেনঃ তোমরা তো পাল্টা আক্রমণকারী দল। তাঁর একথায় আমরা তাঁর হাতে চুমা দিলাম। তিনি বলেনঃ আমি তোমাদের দলভুক্ত। (আবু দাউদ, তিরমিযী, ইবনে মাজাহ, আহমাদ)
হাদিসের মানঃ যঈফ
৯৮৩। ইবনে জুদআন (রহঃ) থেকে বর্ণিত। সাবিত (রহঃ) আনাস (রাঃ) কে বলেন, আপনি কি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে নিজ হাতে স্পর্শ করেছেন? তিনি বলেন, হাঁ। তখন তিনি তার হাতে চুমা দিলেন।
হাদিসের মানঃ যঈফ
৯৮৪। ওয়াজে ইবনে আমের (রাঃ) বলেন, আমরা (আবদুল কায়েস গোত্রের প্রতিনিধিদল মদীনায়) পৌছলে বলা হলো, ইনিই আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। আমরা তাঁর হস্তদ্বয় ও পদদ্বয় ধরে তাতে চুমা দিলাম। (আবু দাউদ)
হাদিসের মানঃ যঈফ
৯৮৫। সুহাইব (রহঃ) বলেন, আমি আলী (রাঃ) কে আব্বাস (রাঃ)-এর হাত ও উভয় পায়ে চুমা দিতে দেখেছি।
হাদিসের মানঃ যঈফ
Comments
Post a Comment