অধ্যায়ঃ দেখা-সাক্ষাতের জন্য অনুমতি প্রার্থনা
১০৬৭। ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত (আল্লাহর বাণী) “তোমাদের ডান হাত যাদের মালিক হয়েছে তারা যেন তোমাদের অনুমতি প্রার্থনা করে” (সূরা নূরঃ ৫৮)। তিনি বলেন, এই নির্দেশ পুরুষদের জন্য, নারীদের জন্য নয়।
হাদিসের মানঃ যঈফ
১০৭১। মূসা ইবনে তালহা (রহঃ) বলেন, আমি আমার পিতার সাথে আমার মায়ের ঘরে প্রবেশ করলাম। তিনি ভেতরে প্রবেশ করলে আমিও তার অনুসরণ করলাম। তিনি পেছনে ফিরে আমার বুকে সজোরে আঘাত করে আমাকে আমার নিতম্বের উপর বসিয়ে দিলেন, অতঃপর বলেন, অনুমতি না নিয়েই তুমি প্রবেশ করলে?
হাদিসের মানঃ যঈফ
১০৭২। জাবের (রাঃ) বলেন, যে কোন ব্যক্তি তার সন্তানের নিকট এবং মায়ের নিকট অনুমতি চাইবে, তিনি বৃদ্ধা হলেও, ভাই, বোন ও পিতার নিকটও প্রবেশানুমতি চাইবে।
হাদিসের মানঃ যঈফ
১০৭৪। আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, মানুষ তার পিতা-মাতা ও ভাই-বোনের নিকট প্রবেশানুমতি চাইবে। (তাবারী)
হাদিসের মানঃ যঈফ
১০৯২। আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ কারো দৃষ্টি (ভেতরে) চলে গেলে তার জন্য অনুমতি নাই। (আবু দাউদ, তিরমিযী, আহমাদ)
হাদিসের মানঃ যঈফ
১০৯৯। আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কারো দৃষ্টি ভেতরে চলে গেলে তার জন্য অনুমতি নাই। (আবু দাউদ, তিরমিযী, আহমাদ)
হাদিসের মানঃ যঈফ
১১০২। আম্মার ইবনে সাদ আত-তুজীবী (রহঃ) বলেন, উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) বলেছেন, কোন ব্যক্তিকে অনুমতি দেয়ার পূর্বেই তার চক্ষুদ্বয় ঘরের কামরায় প্রবেশ করালে সে পাপাচারে লিপ্ত হলো।
হাদিসের মানঃ যঈফ
১০৭৪। আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, মানুষ তার পিতা-মাতা ও ভাই-বোনের নিকট প্রবেশানুমতি চাইবে। (তাবারী)
হাদিসের মানঃ যঈফ
১০৯২। আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ কারো দৃষ্টি (ভেতরে) চলে গেলে তার জন্য অনুমতি নাই। (আবু দাউদ, তিরমিযী, আহমাদ)
হাদিসের মানঃ যঈফ
১০৯৯। আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কারো দৃষ্টি ভেতরে চলে গেলে তার জন্য অনুমতি নাই। (আবু দাউদ, তিরমিযী, আহমাদ)
হাদিসের মানঃ যঈফ
১১০২। আম্মার ইবনে সাদ আত-তুজীবী (রহঃ) বলেন, উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) বলেছেন, কোন ব্যক্তিকে অনুমতি দেয়ার পূর্বেই তার চক্ষুদ্বয় ঘরের কামরায় প্রবেশ করালে সে পাপাচারে লিপ্ত হলো।
হাদিসের মানঃ যঈফ
১১০৩। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মুক্তদাস সাওবান (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ কোন মুসলমান ব্যক্তির জন্য অনুমতি না নিয়ে কারো ঘরের অভ্যন্তরে তাকানো হালাল নয়। তাই করলে সে যেন ঘরে প্রবেশ করলো। যে ব্যক্তি কোন সম্প্রদায়ের ইমামতি করে, তার জন্য তাদেরকে বাদ দিয়ে বিশেষভাবে শুধু নিজের জন্য দোয়া করে শেষ করা সমীচীন নয়। কোন ব্যক্তির জন্য প্রাকৃতিক প্রয়োজন চেপে রেখে এবং তা থেকে মুক্ত না হয়ে নামায পড়া হালাল নয়। (আবু দাউদ, তিরমিযী, আহমাদ)
ইমামতির...... বাক্যটি ব্যাতিত হাদিসটি সহীহ। (আলবানী)
হাদিসের মানঃ সহিহ/যঈফ [মিশ্রিত]
১১০৭। আইয়ান আল-খাওয়ারিযমী (রহঃ) বলেন, আমরা আনাস ইবনে মালেক (রাঃ)-র নিকট আসলাম। তিনি নিঃসঙ্গভাবে তার দহলিজে বসা ছিলেন। আমার সঙ্গী তাকে সালাম দিয়ে বলেন, আমি কি প্রবেশ করতে পারি? আনাস (রাঃ) বলেন, প্রবেশ করো। এটা এমন জায়গা যেখানে কারো প্রবেশানুমতি চাওয়ার প্রয়োজন নাই। আমাদের জন্য খাদ্য পরিবেশন করা হলে আমরা তা আহার করলাম। পরিবেশক মিষ্টি নবীযের (খেজুরের শরবত) বিরাট পাত্র নিয়ে এলো। তিনি তা পান করলেন এবং আমাদেরও পান করালেন।
হাদিসের মানঃ যঈফ
ইমামতির...... বাক্যটি ব্যাতিত হাদিসটি সহীহ। (আলবানী)
হাদিসের মানঃ সহিহ/যঈফ [মিশ্রিত]
১১০৭। আইয়ান আল-খাওয়ারিযমী (রহঃ) বলেন, আমরা আনাস ইবনে মালেক (রাঃ)-র নিকট আসলাম। তিনি নিঃসঙ্গভাবে তার দহলিজে বসা ছিলেন। আমার সঙ্গী তাকে সালাম দিয়ে বলেন, আমি কি প্রবেশ করতে পারি? আনাস (রাঃ) বলেন, প্রবেশ করো। এটা এমন জায়গা যেখানে কারো প্রবেশানুমতি চাওয়ার প্রয়োজন নাই। আমাদের জন্য খাদ্য পরিবেশন করা হলে আমরা তা আহার করলাম। পরিবেশক মিষ্টি নবীযের (খেজুরের শরবত) বিরাট পাত্র নিয়ে এলো। তিনি তা পান করলেন এবং আমাদেরও পান করালেন।
হাদিসের মানঃ যঈফ
১১১০। উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-র পুত্র আসেম (রহঃ)-এর নাতনি উম্মু মিসকীন বিনতে উমার (রহঃ)-এর মুক্তদাস আবু আবদুল মালেক (রহঃ) বলেন, আমার মনিব আমাকে আবু হুরায়রা (রাঃ)-র নিকট পাঠান। তিনি আমার সাথেই চলে আসেন। তিনি দরজায় দাঁড়িয়ে বলেন, ভেতরে প্রবেশ করতে পারি কি? উম্মু মিসকীন (রহঃ) বলেন, প্রবেশ করুন। তিনি বলেন, হে আবু হুরায়রা! সে রাতের আহারশেষে আমার নিকট কাঁচাপাকা কথা নিয়ে আসে, আমি কি তার সাথে (তখন) কথাবার্তা বলতে পারি? আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, বিতরের নামায না পড়া পর্যন্ত কথাবার্তা বলতে পারো। কিন্তু তুমি বিতর পড়ার পর আর কথাবার্তা বলো না।
হাদিসের মানঃ যঈফ
হাদিসের মানঃ যঈফ
Comments
Post a Comment