অধ্যায়ঃ জুয়া ও দাবা/পাশা খেলা
১২৭১। জাফর ইবনে আবুল মুগীরা (রহঃ) বলেন, সাঈদ ইবনে জুবাইর (রহঃ) আমার এখানে মেহমান হলেন। তিনি বলেন, ইবনে আব্বাস (রাঃ) আমার নিকট বর্ণনা করেন যে, বলা হতো, উটের জুয়াড়ীগণ কোথায়? তখন দশজন প্রতিযোগী সমবেত হতো এবং জুয়ার উটটির ক্রয়মূল্য নিৰ্দ্ধারণ করতো দশটি উটশাবক। তারা তীরের জুয়ার পাত্রে তীর স্থাপন করে সেটিকে চক্কর দেয়াতো, তাতে একজন বাদ পড়ে নয়জন অবশিষ্ট থাকতো। এভাবে প্রতি চক্করে একজন করে বাদ পড়ে শেষে মাত্র একজন অবশিষ্ট থাকতো এবং সে বিজয়ী হিসাবে তার শাবকসহ অন্যদের নয়টি শাবকও লাভ করতো। এতে নয়জনের প্রত্যেকে একটি করে শাবক লোকসান দিতো। এটাও এক প্রকার জুয়া।
হাদিসের মানঃ যঈফ
১২৭৩। রবীআ ইবনে আবদুল্লাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। উমার (রাঃ)-র শাসনকালে দুই ব্যক্তি দু’টি মোরগের লড়াইয়ের বাজি ধরে। উমার (রাঃ) মোরগ হত্যার নির্দেশ দেন। এক আনসার ব্যক্তি তাকে বলেন, আপনি কি এমন এক উম্মাতকে হত্যা করবেন যারা (আল্লাহর) গুণগান করে? অতএব তিনি তার নির্দেশ প্রত্যাহার করেন।
হাদিসের মানঃ যঈফ
১২৭৫। হুসাইন ইবনে মুসআব (রহঃ) থেকে বর্ণিত। এক ব্যক্তি আবু হুরায়রা (রাঃ)-কে বললো, আমরা দুটি কবুতরের বাজিতে শর্ত লাগাই এবং তৃতীয় ব্যক্তিকে সালিশ মানা অপছন্দ করি। এজন্য যে, পাছে সে-ই তা (বাজির জিনিস) হস্তগত করে নিয়ে যায় কিনা। আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, এটা তো শিশুসুলভ কাজ। অবশ্যই তোমরা তা ত্যাগ করবে।
হাদিসের মানঃ যঈফ
১২৭৯। মুতাররিফ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনুস শিখখীর (রহঃ) বলেন, বসরা যেতে আমি ইমরান ইবনুল হুসাইন (রাঃ)-র সফরসংগী হলাম। সফরে প্রতি দিনই তিনি আমাদের কবিতা আবৃত্তি করে শুনিয়েছেন। তিনি আরো বলেছেন, পরোক্ষ বচন মিথ্যাকে এড়ানোর নিরাপদ উপায়।
হাদিসের মানঃ যঈফ
১২৮০। ফুদাইল ইবনে মুসলিম (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আলী (রাঃ) বাবুল কাসর থেকে বের হলে তিনি দাবা/পাশা খেলোয়াড়দের দেখতে পান। তিনি তাদের নিকট গিয়ে তাদেরকে ভোর থেকে রাত পর্যন্ত আটক রাখেন। তাদের মধ্যে কতককে তিনি দুপুর পর্যন্ত আটক রাখেন। রাবী বলেন, যারা অর্থের আদান-প্রদানের ভিত্তিতে খেলেছিল, তিনি তাদের রাত পর্যন্ত আটক রাখেন, আর যারা এমনি খেলেছিল তাদেরকে দুপুর পর্যন্ত আটক রাখেন। তিনি নির্দেশ দিতেন, লোকজন যেন তাদেরকে সালাম না দেয়।
হাদিসের মানঃ যঈফ
হাদিসের মানঃ যঈফ
১২৭৫। হুসাইন ইবনে মুসআব (রহঃ) থেকে বর্ণিত। এক ব্যক্তি আবু হুরায়রা (রাঃ)-কে বললো, আমরা দুটি কবুতরের বাজিতে শর্ত লাগাই এবং তৃতীয় ব্যক্তিকে সালিশ মানা অপছন্দ করি। এজন্য যে, পাছে সে-ই তা (বাজির জিনিস) হস্তগত করে নিয়ে যায় কিনা। আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, এটা তো শিশুসুলভ কাজ। অবশ্যই তোমরা তা ত্যাগ করবে।
হাদিসের মানঃ যঈফ
১২৭৯। মুতাররিফ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনুস শিখখীর (রহঃ) বলেন, বসরা যেতে আমি ইমরান ইবনুল হুসাইন (রাঃ)-র সফরসংগী হলাম। সফরে প্রতি দিনই তিনি আমাদের কবিতা আবৃত্তি করে শুনিয়েছেন। তিনি আরো বলেছেন, পরোক্ষ বচন মিথ্যাকে এড়ানোর নিরাপদ উপায়।
হাদিসের মানঃ যঈফ
১২৮০। ফুদাইল ইবনে মুসলিম (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আলী (রাঃ) বাবুল কাসর থেকে বের হলে তিনি দাবা/পাশা খেলোয়াড়দের দেখতে পান। তিনি তাদের নিকট গিয়ে তাদেরকে ভোর থেকে রাত পর্যন্ত আটক রাখেন। তাদের মধ্যে কতককে তিনি দুপুর পর্যন্ত আটক রাখেন। রাবী বলেন, যারা অর্থের আদান-প্রদানের ভিত্তিতে খেলেছিল, তিনি তাদের রাত পর্যন্ত আটক রাখেন, আর যারা এমনি খেলেছিল তাদেরকে দুপুর পর্যন্ত আটক রাখেন। তিনি নির্দেশ দিতেন, লোকজন যেন তাদেরকে সালাম না দেয়।
হাদিসের মানঃ যঈফ
১২৮৮। ইয়ালা ইবনে মুররা (রহঃ) বলেন, আমি আবু হুরায়রা (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি বাজি ধরে দাবা/পাশা খেলে সে শূকরের গোশত ভক্ষণকারীর সমতুল্য। আর যে ব্যক্তি বাজি না ধরে দাবা/পাশা খেলে সে শূকরের রক্তে হাত রঞ্জিতকারীর সমতুল্য। আর যে ব্যক্তি তাদের সাথে বসে তাদের খেলা দেখে সে শূকরের গোশতের দিকে তাকিয়ে থাকা ব্যক্তির সমতুল্য।
হাদিসের মানঃ যঈফ
Comments
Post a Comment